Skip to main content

Posts

Showing posts with the label কবিতা

স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি - মহম্মদ ঘোরী শাহ্

  স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি মহম্মদ ঘোরী শাহ্ ♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦ আগষ্ট এলেই মনেপড়ে ছুটন্ত অগ্নিহল্কার কথা, অগ্নিমন্ত্রে নিবেদিত প্রাণ গুলির কথা। মনেপড়ে যায়- মৃত্যু-উৎসবের কথা। আজকের দিনে, লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে, কিনেছিলেন অমর শহীদগন লক্ষ বছরের লালায়িত স্বাধীনতার সূর্য্যটাকে। রক্তসাগরে স্নান করে উঠেছিল পূর্ব দিগন্ত রাঙিয়ে। ভোরের কাকলি করেছিল বরণ স্বাগত রাগিণী গেয়ে। শেষ হল পিসাচদের নাটক,উন্মাদ নাগিনীর ফণা গেল নেমে। শুন্য বেদীতে অভিষেক হল স্বাধীনতা। সেই দৃপ্ত সূর্যটা আজ যেন ম্লান নামেই আকাশ সাজিয়ে? স্বার্থের মেঘগুলো ঢেকেছে তাকে। কতক গুলো নখর হাত অধিকার গুলো নিগড়ে নিগড়ে করেছে ছিবড়া। ধর্মের নামে অধর্মের অাগ্রাষণ, ক্ষমতার অহংকারে দুর্বলকে নীপিড়ন চলে অহরহ। শহীদে রক্তে লেখা সংবিধান ধর্মের উগ্র ধোঁয়ায় যেন আজ মুর্ছিত। এ আগষ্ট কি সেই আগষ্ট? তবে কোথায় সেই বঞ্চনাহীন সাম্যের প্রতিশ্রুতি?

কোভিড -মহম্মদ ঘোরী শাহ্

  কোভিড   কোভিড মানে ভাইরাস ? কোভিড মানে সন্ত্রাস, শাসকের ব্যর্থতা। কোভিড মানে স্বৈরাচার, জন পরাধীনতার আরেক নাম। কোভিড মানে মুনাফা, চিকিৎসার নামে শোষণ। কোভিড মানে মজুদদারি, জনগনের শিরচ্ছেদ। কোভিড মানে পিএম কেয়ার আন-ওডিটএবিল। কোভিড মানে ব্যর্থ অর্থনীতির উপর শাক ঢাকা। কোভিড মানে অস্পৃশ্যতা, ঘৃণায় মুখ লুকানো।

একুশ তুমি

নাসিমা খান একুশ তুমি রক্তে ঝরা এক ফাগুনের দিন একুশ তুমি আমার ভাইয়ের উন্মাদনার ঋণ! একুশ তুমি বাংলা মায়ের আকুল প্রাণের টান, একুশ তুমি রক্তে কেনা অঝোর ভাষার গান। একুশ তুমি দামাল ছেলের অসুর দাপট ফল একুশ তুমি আমার মায়ের চোখের ঝরা জল! একুশ তুমি  অঝোর ধারায় রক্ত ঝরার নাম একুশ তুমি  নজীর বীহিন একটি ভাষার দাম! একুশ তুমি ভাইয়ের মায়ের অশ্রু জমা দিন একুশ তুমি বাংলা ভাষার অমর সুরের বীণ।।

স্মৃতির ফলক

স্মৃতির ফলক                             নাসিমা খান পুরনো স্মৃতির ফলক সামনে রেখে  আমি নিমগ্ন হয়ে দেখছি!  এর ভিত এতটা মজবুত হলো কী করে,  এর অবয়বে ফুটে আছে রক্ত করবী, মাধবীলতায় জড়ানো পাচিলে এটি আবদ্ধ হলো কবে! আমি অস্থির হয়ে তাকিয়ে আছি বুঝতে পারছি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে আমার হৃৎপিণ্ড!  ডাইনিং জুড়ে পড়ে রয়েছে ধোঁয়া ওঠা খাবার  জোয়ারের মত হুহু করছে বুভুক্ষু ক্ষুধা  হাত তিন দূরে খাবারের টেবিল  স্মৃতির ফলকে  আবিষ্ট চোখ  কেউ ডাকছে ঠান্ডা হয়ে গেল সব!  স্মৃতির নদীতে বান ডেকেছে  অস্ফুটস্বরে ডাকছে  অতীত  আমার হস্তদ্বয় পড়ে আছে কোলের উপরে  আমার গলা উপচে ঢেউ আসছে  অবিশ্রান্ত ঝিঁঝি পোকা ডাকছে কানের উপর  বুঝতে পারছি দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে মনটা দরজায় নক করছে কেউ ঠকঠক  আমি ফলকের উপর উল্কি আঁকছি শতাব্দীর পর শতাব্দী কেউ একজন নক করছে দরজায়  ডাইনি...

ভুলেই গেছো

ভুলেই গেছো                   নাসিমা খান দুর্যোগ এলেই মনের মধ্যে  নেই নেই কান্না বাজে  জানালা খোলা রেখেছি  বাইরে মাঝারি বৃষ্টি  অপেক্ষা করছি ভয়াবহ দুর্যোগের!  হয়তো মনে নেই আমি আছি  অথবা এই দুর্যোগে কোথায় আছি ফোন থেকে মুছে দিয়েছ ইনবক্স থেকে মুছে দিয়েছ  মনে উঠবার হয়তো আর কারণ নেই  আচ্ছা, তোমার কী বাসে উঠলে মনে পড়ে না? বাসে উঠে নিরাপদে বসেই ফোন দেওয়ার কথা  মনে পড়ে না গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এ ফোন রিসিভ  করে চুপচাপ বসে থাকার কথা?  আমার বকবক শুনতে চুপচাপ!  তোমার ভয়ে আমি ফোন ছেড়ে  একমুহূর্ত সরতাম না, ফোন ধরতে দেরি হলেই কেমন রেগে যেতে, সব কিছু ভুলেই গেছো, না? আজ এই দুর্যোগের রাতে  বুকের ভেতর যে নেই নেই কান্না  সে কি শুধু দুর্যোগের জন্য  তার অধিক বেশি তোমার জন্য, যে কণ্ঠের সতর্কতা যত্নের সাথে  পালন করেছি,  সেই কণ্ঠ আমি ভুলিনি  হয়তো ভুলেই গেছো আমার কণ্ঠ  ...

প্রেমের চিত্রকর

প্রেমের চিত্রকর   নাসিমা খান অনন্তকালের সাধ ছিলো  তোমাকে ভালোবেসে রংধনু আঁকবো উদার আকাশের বুকে - পারিনি! নক্ষত্রগুলো আমাকে বিদ্রুপ করে বলেছে  যৌবনে যার অঙ্গে মাধবী ফোটেনি,  বিলাসী প্রেমের চিত্রকর সে কীভাবে হবে? ঠোঁটের কোণে যার পূর্ণিমা হাসিনি সে কেমন করে রঙধনু আঁকবে?  তোমাকে ভালোবাসতে গিয়ে আমি কত না শর্তের কাগজে স্বাক্ষর করেছি ইতিহাসের পাতা থেকে ঝরে পড়েছি স্বেচ্ছায়  নির্বাসন দিয়েছি শাড়ি, বিছানার প্রেম দিয়েছি জলাঞ্জলি  তবুও আমাকে সমাজ ধিক্কার দিয়ে বলেছে, কী আছে তোর? বাহারী যৌবন?  অনাবৃত সৌরভ? বিলাসবহুল গাড়ি?  নতজানু মস্তক?  অসীম সৌন্দর্য?  ধিক্কার দিয়েছি!  ধিক্কার!  নিজের বুকে থুতু মেরে বলেছি, ব্যাস! অনেক পেয়েছি প্রতিদান!  এই কুরূপা শরীরে সঞ্চারিত হয়েছিলো যে  পল্লবিত তরুরাজি তাদের উপড়ে ফেলেছি, ভালোবাসার মত এই আমিত্ব ছাড়া কিছুই ছিলো না বলে ফিরে এসেছি তোমার বৈভব আর জৌলুসময় যৌবন থেকে মুছে ফেলেছি চুম্বনের স্বাদ অধর থেকে  স্বপ্নের বালি বাঁধা ব...

একটু আসিস্

একটু আসিস্                          নাসিমা খান   শান্ত মুখে নীরব চুপে একটু ফোকর পেলেই দেখিস ? তোর দুচোখে সবুজ-শ্যামল হাজার ডানা পরাগ মাখিস ? ঠোঁটের ফাঁকে চাঁদের কণা অবাক হয়ে মুচকি হাসিস ? তোর চুলেতে বুনো বাতাস দুলদুলানী হাওয়ায় ভাসিস ? দুপায়ে তোর ফড়িং সবুজ তিড়িংবিড়িং লাফিয়ে মাতিস ? তোকেই আমার বুকের কোণে ঠাঁই দিয়েছি বুঝতে পারিস ? সন্ধ্যা হলে পথের উপর দৃষ্টি মেলে আমার বাড়ি!  একটু আসিস একটু আসিস একটু আসিস ।

তোমাকে আজ বিদায় দিয়েছি

তোমাকে আজ বিদায় দিয়েছি                        নাসিমা খান অনেক সময় হয়ে গেছে তুমি চলে গেছো  অবোধ চোখের কোণে অশ্রু টলমল ছিল,  পথ আগলে দাঁড়িয়ে ছিলাম বহুদিন ধরে  তোমাকে ছাড়া অসহ্য সময় যাচ্ছিল বয়ে! প্রবঞ্চনার সুরা পান করে করে ক্লান্ত হয়েছি ফিরে গেছো,কিন্তু আবার আসবে না ভাবিনি  অপেক্ষার শরীরে মরিচা ধরে জং ধরে গেছে  আমিও ক্লান্ত অবসন্ন হয়ে নির্বাক হয়ে আছি!   সপ্ত ইন্দ্রিয় বুঝে নিয়েছে প্রবঞ্চক ফিরে আসেনা  স্বেচ্ছায় ফেলে দিয়েছো যারে, বিদায় হয়নি তার নিজের কাছ থেকে নিজেকে বিদায় দিলাম তাই মুক্তির উপায় চেয়েছিলে বলে মুক্তি দিলাম আজ! অশ্রু মোছা যায় না,যতদিন দৃষ্টি দেখে সৃষ্টির শোভা সবুজবীথি, নদী,আকাশ, মাটি সব কিছু আমার, সবকিছুর পরেও অসীম দুঃখবোধ তুমি আর নেই  কলিজা ছিড়েখুঁড়ে আজ বিদায় দিলাম অনিচ্ছায়!

বিমূর্ত পথের মাঝে

বিমূর্ত পথের মাঝে         নাসিমা খান আমি প্রতিদিন সেখানে যাই তার ওষ্ঠে চুমু খাই  কফিশপে বসি ক্লান্ত হাত রাখি তার হাতে, ফুটপাত ধরে তার সংগে হাঁটি গলির মুখে এসে দেখি সে নেই! চুপটি করে বাসের ভেতর তার পাশে বসি ক্লান্ত মাথা তার বাহুতে রাখি তার শরীরে হাল্কা সেন্টের গন্ধ পাই সে আমার গালে মুখ রাখে বাস থামতেই দেখি সে নেই!  দ্রুত রাজলক্ষ্মী ব্রীজের নীচে আসি সে  হেঁটে এসে আমার হাত ধরে তার ঘাড়ে কালো ব্যাগ আমরা কাকরাইলের বাস ধরি সকালের রোদ্দুর মুখে লাগে আমার মাথাটা তার কাঁধে চেপে রাখে কাকরাইলের মোড় ঘুরতেই দেখি সে নেই!  কলাবাগানের অফিসে ছয়তলা সিঁড়ি ভাঙ্গি সে তার রিভলভিং চেয়ারটায় বসে  সামনের চেয়ারে আমি রান্না ঘরে যাই চুলোয় চা বসাই দুকাপ  চিনি ছাড়া চা নিয়ে ওর রুমে আসি ও তখন নিউজ করে দুজন চা খাই,মাঝে মাঝে উঠে ওর পাশে যাই আমরা একে অপরের মুখে চুমু খাই রিভলভিং চেয়ারটা নড়ে ওঠে  তাকিয়ে দেখি সে নেই!  আমরা বাড়ি ফিরি সিএনজি করে দুজনের হাত দুজন জোরে চেপে ধরি স...

এক খণ্ড মেঘের উৎপাত

এক খন্ড মেঘের উৎপাত           নাসিমা খান  বিচ্ছেদ, বিচ্ছেদ হলো বলো চিৎকার করো না আর, জন্মাবার আগেই তোমার কপালে লিখে এনেছিলে এই নিষ্ঠুর প্রবাদ ! এখানে স্থায়ী বসতের জন্য বাগানে ফোঁটে না গোলাপ, কিংবা আমেরিকাতে জন্মালেই তোমার আজন্ম বসতি গড়ে ওঠে না স্বর্গ রাজ্যে ! বিনাশের জন্যই সৃষ্টির ইতিহাস, ধ্বংশের জন্যই তো বিজ্ঞান ! জন্ম আছে বলেই তো মরণের স্বাদ তিক্ত যৌবনে যে বাসর অপেক্ষার বয়সে তা আক্ষেপের, ভুলে যেও না, সুখের আবাদ করলেই সুখ স্মৃতি দিয়ে যাদু ঘর গড়া যায় না টাইফুন, সাইক্লোনের প্রজেক্ট না থাকলে উপন্যাসের থিম জন্মাবার আগেই মরে যায়, কপালের বাম পাশে সূর্য হাসে বলেই ডান পাশে হয় এক খন্ড মেঘের উৎপাত ।

হতশ্রী

হতশ্রী নাসিমা খান দেবো না আর লিপস্টিক আঁচড়াবো না চুল, এলোমেলো চলবো আমি করবো শুধু ভুল, এই আমাকেই পারলে তুমি বেসো অধিক ভালো, উস্কো বসন,রুক্ষ মেজাজ ভীষণ আমি কালো! কাজ পারিনা মোটেও আমি ভাঙ্গি প্লেট বাটি ইচ্ছে করেই করবো শুধু তোমার সময় মাটি! এসব সয়ে আমার সাথে না হয় তুমি থেকো গুণহীনতা বেঢক শরীর সয়েই বুকে রেখো। ইচ্ছে হলে চলেই যেও একলা পথে ফেলে কুরূপ মেয়ে রইবে চেয়ে যে পথ দিয়ে গেলে! নদীর পাড়ে কাশের বনে উড়ুক্কু মন রবে অনাদরে যেথায় সেথায় হয়তো জীবন যাবে!

মধূচন্দ্রিমা

মধূচন্দ্রিমা রেশমিন খাতুন সন্ধ্যাবেলা সমস্থ কাজ সাতটার মধ্যেই সেরে ফেলার চেষ্টা করে শ্রবণা। সাতটার সময়ে শুরু হয়ে যায় তার প্রিয় সিরিয়াল "নীল পৃথিবী"। সারাদিন সে এই সিরি forয়ালটা দেখার জন্য অপেক্ষা করে। সকাল দশটা নাগাদ একবার রিপিট টেলিকাস্ট হয়। কিন্তু  এখন একদম সময় হয় না তার। কোনোদিন যদি এক পর্ব দেখা না হয়ে ওঠে, তার আফসোস সব থেকে দামী শাড়িটা ছিড়ে যাওয়ার আফসোসের থেকে কোনোও অংশে কম।হয় না। অবশেষে  হানিমুনে যাওয়া হয়েছে দোলন আর সাগরের। তার আগে যা ঝগড়া হচ্ছিল, মনে হচ্ছিল তাদের বোধহয় আর  হানিমুনে যাওয়া হয়েই উঠবে না। দুই পাশে বন, পাহাড়ী আঁকাবাঁকা রাস্তায় গাড়িটি হারিয়ে যাচ্ছিল প্রায়ই। অবশেষে রিসর্টে এসে পৌঁছালো তারা। সাগর হাত বাড়িয়ে দোলন কে নামতে সাহায্য করতে চায়। কিন্তু দোলন তার হাতে হাত দেয় না। " বাইরেটা এত অগোছালো হিয়ে আছে আর বসে বসে টিভি গিলছো?" সজলের কর্কশ আওয়াজ শ্রবণার ভালো লাগার রেশটা মুছে দেয়। "গোছাচ্ছি। ওত চ্যাঁচাচ্ছো কেন?' "চ্যাঁচাবো না তো কী করব? এখানে গ্লাস, ওখানে বই, জামাকাপড় গুলো কী অবস্থা! জানোনা এসব আমি পছন্দ করি না?" ...

তোমরা জেগে ওঠো তাই!

তোমরা জেগে ওঠো তাই !   মহম্মদ ঘোরী শাহ্ তোমরা জেগে উঠো তাই- সকালটা হয় এতো নির্মল, ক্ষমতার বিভোরে প্রশাখা ছড়ানো মহিরুহে তলায়, হাসে সাহসের শিশির স্নাত তৃণফুল। তোমরা জেগে উঠো তাই- শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে কেবলই ঘেমে যায়, সততার মুখোশ পরা দূর্নীতিবাজ। তোমরা জেগে উঠো তাই- কাঁপন লাগে ক্ষমতার কংক্রিটে, কেবলই খষে খষে পড়ে অনাচারের ইমারত। তোমরা নির্ভীক কলম চালাও তাই- ওরা ভয় পায়, পাগলা হাতীর মত করে তাণ্ডব ভাঙে আপন আবাস। তোমরা জেগে উঠো তাই- জেগে উঠে দর্পণে প্রকৃত প্রতিকৃতি, তাই বারবার হয় দর্পণ ভাঙার ব্যর্থ প্রয়াস। তোমরা জেগে উঠো তাই- লাল রক্তে রাঙেনা কালো মুখোশ, দম্ভটা ইতিহাসের পাতায় অপরাধীর মত লুটোলুটি খায়।

নারী এখনও নারী

নারী এখনও নারী         নাসিমা খান ঘোরালে ফিরালে নারী এখনও পুরুষের অধিকার নারী হয়নি মানুষ এখনও পায়নি মানবিক দায়ভার দশজনে তবু রাতের আঁধারে  এখনও একা নারী বাসে গাড়িতে আজও মেয়েরা লজ্জা লিঙ্গ ধারী! "অর্ধেক কাজ করে যে নারী লিখেছেন কবি ভুল  নারী হয়ে যায় অশুচ যদি বের করে তার চুল পৌরাণিক সংস্কৃতি রুদ্ধ নারী এখনও বেকুব ঘরে এখনও নারীর চক্ষু ফেটে বিরহের জল ঝরে! চাকুরী করে ব্যাগ ভরে টাকা আনে শুধু সে বয়ে পুরুষ পুরোটাই কেড়ে নেন তার নারী রয়যে চেয়ে অফিস ফিরে উনুনে বসায় সকলের চায়ের পানি তবু নারী খুশি চষে নিজ ভূমি বিল্ট নিয়েছে মানি! নারী এখনও নারী রয়েছে যদিও পরেছে প্যান্ট! অফিস সংসার দুটোতেই তার দিতে হয় তবু ভ্যাট এখনও নারীর চুলের মুঠি পুরুষের হাতে ক্ষয় সব দিয়েও নারীর এখনও হয়নিকো কোনো জয়! নিষ্ঠুর পুরুষ এখনও শাসক মেরেও ফেলে না জল নারীর হৃদয় কথার আঘাতে হারায় যে তার বল! পুরুষের তৈরি  কাঠামোতে নারী এখনও ফিটফাট নিজের আদল বদল করে,সব নেয় করে মিটমাট!